রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৫২ অপরাহ্ন

তেঁতুলিয়ায় বইছে শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা ১০.৬ ডিগ্রি

উত্তরের হিমেল বাতাস অব্যাহত থাকায় শীতের তীব্রতা অনুভূত হচ্ছে দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, একুশের কণ্ঠ:: হিমালয়ের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় হিমশীতল বাতাস ও কুয়াশার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। হালকা কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা বেড়েছে কয়েকগুণ। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষ।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এর আগে রোববার সকাল ৯টায় এই তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

টানা দুই দিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে জবুথবু হয়ে পড়েছে জেলার মানুষ। সন্ধ্যার পর থেকেই শীতের তীব্রতা আরও বেড়ে যাচ্ছে। ঘন কুয়াশার কারণে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। সন্ধ্যার পরে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না সাধারণ মানুষ।

ছিন্নমূল ও গ্রামীণ এলাকার মানুষ খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। কনকনে ঠাণ্ডার কারণে মাঠে কৃষিকাজ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। অনেকেই বাড়ির আঙিনা, ফুটপাত ও চায়ের দোকানের পাশে আগুন পোহাতে দেখা যাচ্ছে।

এদিকে শৈত্যপ্রবাহের কারণে বেড়েছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যাও। একটানা শীতের কারণে শিশু ও বয়স্করা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। চিকিৎসকরা এ সময় গরম কাপড় পরা, গরম খাবার খাওয়া এবং বেশি করে শাকসবজি গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছেন। প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় জানান, সোমবার সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ছিল ১০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৯ শতাংশ। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বয়ে আসা হিমেল হাওয়ায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। সামনের দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলেও জানান তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com